রাজশাহী তানোরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ডাকমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এবং রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের পৃষ্ঠপোষকতায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
অন্যন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউনিয়ন (ইউপ) চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খান,বাধাইড় ইউপি বিএনপির সভাপতি আল আমিন পলাশ, তানোর উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, তানোর পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক কাউন্সিল আতাউর রহমান, তানোর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তূজা,তানোর পৌর ছাত্র দলের আহবায়ক শাহীন সরকার রন্জু প্রমূখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার আমিনুল হক রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন স্বনামধন্য সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কেল্লাবারুইপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কৃতি সন্তান ও রাজনীতিবিদ। তার বাবা ফহিম উদ্দিন বিশ্বাস ও মা আনোয়ারা বেগম।
শিক্ষাজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষে তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত হন এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এবং রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের পৃষ্ঠপোষকতায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
অন্যন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সরনজাই ইউনিয়ন (ইউপ) চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক খান,বাধাইড় ইউপি বিএনপির সভাপতি আল আমিন পলাশ, তানোর উপজেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, তানোর পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক কাউন্সিল আতাউর রহমান, তানোর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তূজা,তানোর পৌর ছাত্র দলের আহবায়ক শাহীন সরকার রন্জু প্রমূখ।এছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ব্যারিস্টার আমিনুল হক রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন স্বনামধন্য সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কেল্লাবারুইপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এই কৃতি সন্তান ও রাজনীতিবিদ। তার বাবা ফহিম উদ্দিন বিশ্বাস ও মা আনোয়ারা বেগম।
শিক্ষাজীবনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষে তিনি আইন পেশায় নিয়োজিত হন এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
আলিফ হোসেন